April 20, 2026, 12:53 am

পুলিশের নামে চাঁদাবাজি টাকায় লালে লাল চাঁদাবাজ মিঠু

স্টাফ রিপোর্টার : পুলিশের নামে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে মিঠু নামের এক চাঁদাবাজ। নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সাইলো নামক এলাকায় সি.এন.জি পরিবহন গ্যারেজ খুলে এখান থেকেই চাঁদাবাজির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে মিঠু নামের এই চাঁদাবাজ। মিঠু কয়েক বছর যাবত কয়েকশত সি এন জি থেকে পুলিশের নামে চাঁদাবাজি করে আসছে।

সি এন জি চালক শুত্রে জানাযায়, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও চট্রগ্রাম মহাসড়ক সহ বিভিন্ন এলাকায় চলাচলে পুলিশ তাঁদের কোন প্রকার ঝামেলা করবেননা, এই শর্তে সিএনজি চালকদের কাছ থেকে মাসিক হারে চাঁদা নিয়ে থাকে মিঠু। কোন চালক যদি টাকা দিতে গরিমুশি করে তাদেরকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগও রয়েছে।

তথ্য শুত্রে আরও জানাযায় নারায়ণগঞ্জের রেজিষ্ট্রেশনকৃত সিএনজি ঢাকা শহর ও বিভিন্ন এলাকায় কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই চলবে, এই শর্তে মিঠু সিএনজি চালক ও মালিকদের কাছ থেকে মাসিক ১থেকে শুরু করে ৪ হাজার টাকা করে নিয়ে থাকে। মাত্র মাসিক চার হাজার টাকার বিনিময়ে সিএনজির চালক ও মালিকদের অবৈধ ভাবে চলাচলের সুযোগ দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা

।এতে সরকার হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকা টাকার রাজস্ব। টাকায় লালে লাল হচ্ছে মিঠুর মতো চাঁদাবাজরা।নিউজের সত্যতা জানার জন্য মিঠুর মোঠোফোনে একাধিক বার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি।

আরো আসছে আগামীর সংখ্যায়

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা